এলপিজি গ্যাস সম্বন্ধে কিছু অজানা তথ্য, না জানলে জেনে নিন

এখন প্রায় সব বাড়িতেই ব্যবহৃত হয় রান্নার গ্যাসের এলপিজি সিলিন্ডার। গ্যাস জ্বালানোর পর এলপিজির মধ্যে স্ফুটন হয়। ফলে গ্যাস জ্বলতে থাকে ৪২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে। এই এলপিজির সম্বন্ধে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা হয়ত আমরা অনেকেই জানি না। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কি কি। সাথে দেখে নিন কি ভাবে গ্যাসে আগুন লেগে গেলে তা আপনি ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুব সহজেই নিভিয়ে ফেলতে পারেন 1. সিলিন্ডারের রঙ কেন লাল রঙের হয়? এলপিজি অর্থাত্‍ আমাদের বাড়িতে থাকা রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের রঙ থাকে লাল। কারণ লাল রঙ অনেক দূর থেকে সকলের নজরে পারে। ফলে সিলিন্ডার ভর্তি পরিবহন রাস্তায় থাকলে অন্যান্য পরিবহন যান গুলি অনেক দূর থেকেই সিলিন্ডার ভর্তি যান দেখতে পায়। ফলে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। ২. এলপিজি গ্যাসে গন্ধ হয় কেন? বাড়িতে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যায় তীব্রভাবে। কিন্তু বাড়িতে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাস অর্থাত্‍ এলপিজি আসলে কিন্তু গন্ধহীন। কিন্তু গ্যাস সিলিন্ডার এলপিজি গ্যাস ভরার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে ইথিল মারক্যাপ্টন নামে একটি গন্ধক ইচ্ছাকৃতভাবে মেশানো হয়, যাতে কোনওভাবে ওই গ্যাস লিক হলে যাতে গন্ধের দ্বারা তা বোঝা যায়। এতে বিপদ এড়ানো যায়। 3. সিলিন্ডারের নীচে কেন গর্ত থাকে? গ্যাসের সিলিন্ডারের নীচে গর্ত থাকে তা লক্ষ্য করলেই বোঝা যায়। ওই গর্ত থাকারণ কারণ সিলিন্ডারের নীচে জঞ্জাল জমলে যাতে তা বোঝা যায়। এছাড়াও রান্না ঘরের মেঝেতে পরিস্কার করার সময় বা অন্যান্য কারণে জল পরে গেলে যাতে সিলিন্ডারের কোনও ক্ষতি না হয় সে কারণেও থাকে ওই গর্ত। 4. গ্যাসের সিলিন্ডারের আকৃতি একই হয়? আমাদের বাড়িতে যে গ্যাস সিলিন্ডারগুলি আসে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে সেগুলির আকার বৃত্তাকার বা নলাকার হয়। সব জায়গাতেই এই এক ধরনেরই সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়ে থাকে। 5. এলপিজি গ্যাস ঠিক কি? এলপিজি কি? এলপিজি আসলে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি বিউতেন বা প্রোপেন হয়। এই এলপিজি আসলে হাইড্রোকার্বন গ্যাসের জ্বলন্ত মিশ্রণ। যা রান্নার পাশাপাশি যানবহনের জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 6. গ্যাসের ওজন ঠিক কি? একটি খালি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ওজন প্রায় ১৫.৩ কেজি। সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমান থাকে ১৪.2 কেজি। তাই গ্যাস ও সিলিন্ডারের ওজন মিলিয়ে একটি ভর্তি সিলিন্ডারের ওজন হয় মোট ২৯.৫ কেজি। তবে সব ক্ষেত্রেই এই ওজন নির্ভর করে প্রস্তুতকারক সংস্থার ওপর। 7. গ্যাসের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ? গ্যাস সিলিন্ডারের গায়ে একটি বিশেষ চিহ্ন থাকে সেটা লক্ষ্য করলেই বোঝা যাবে। এই চিহ্নটির সঙ্গে সংখ্যাও থাকে। এই সংখ্যা মাস এবং বছরকে বোঝায়। এই চিহ্নটিতে চারটি অক্ষর ব্যবহৃত হয়। এবং তা যথাক্রমে অ, ই, ঈ, এবং উ। অর্থাত্‍ জানুয়ারি-মার্চ, এপ্রিল-জুন, জুলাই-সেপ্টেম্বর- এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর। শেষ সংখ্যাটির অর্থ হল বছর। বুঝতে পারলেন না? আচ্ছা উদাহরণ সহকারে বোঝানো যাক। ধরুন যদি আপনার বাড়িতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারে লেখা রয়েছে ই-১৩। তাহলে এর অর্থ হল জুন ২০১৩য় ওই গ্যাস সিলিন্ডারের এক্সপাইরি ডেট। অর্থাত্‍ ওই বছরের ওই মাসের পর এই সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ হবে। এরপর সেটি ব্যবহৃত হতে বিপদের সম্ভবনা রয়েছে। Like 1+

Continue reading


স্বর্ণ পরিমাপের একক

দেশীয় হিসাব স্বর্ণ পরিমাপের একক ১ ভরি = ১৬ আনা ১ ভরি = ৯৬ রতি ১ আনা = ৬ রতি ভরি গ্রাম কেজি এ সমস্ত যেমন মাপের একক-ঠিক তেমনি ভরি সোনা ২৪ক্যারেট ধরে হিসাব করা হয়। ৯৬ রতিতে হয় ১ ভরি। সে হিসাবে ৯৬ কে ২৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ৪ রতি,আর এই ৪রতি সমান ১ ক্যারেট। কিন্তু বিদেশে বা আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ কিনতে গেলে ভরি হিসেবে কিনতে কেনা যায় না। কারণ, বিদেশে স্বর্ণ বিক্রির একক হিসেবে ওজন পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক “কিলোগ্রাম” বা “আউন্স” ব্যবহার করা হয়। কিলোগ্রামের ভগ্নাংশ হচ্ছে “গ্রাম”। স্বর্ণ যেহেতু অনেক মূল্যবান, তাই লোকে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে এটা কিনে থাকে। তাই স্বর্ণের ওজন পরিমাপে গ্রাম বা আউন্স-ই বেশি ব্যবহার হয়। অবশ্য অনেকেই জানেন না, যে কত গ্রাম বা আউন্স -এ কত ভরি হয়। এটা জানা থাকলে দেশ-বিদেশে স্বাচ্ছন্দে স্বর্ণ কেনাকাটা করা যায় একই সঙ্গে দামের পার্থক্যটাও ধরা পড়ে। ৮ আনা = ৫.৮৩২ গ্রাম ১৪ আনা = ১০.২০৬ গ্রাম ১ ভরি = ১১.৬৬৩৮ গ্রাম আবার, ১ আউন্স = ২৮.৩৪৯৫ গ্রাম ১ আউন্স = ২.৪৩০৫ ভরি ১ ভরি = ০.৪১১৪৩ আউন্স স্বর্ণের বিশুদ্ধতা অনেকে বিয়ে উপলক্ষে স্বর্ণ কেনার কথা ভাবছেন। এছাড়াও নতুন সন্তানের মুখ দেখতে, জন্মদিন ,আকিকা, সুন্নাতে খতনা, মুখে ভাত সহ বিবিধ উপলক্ষে স্বর্ণালংকারের চাহিদা থাকে বছরের সব সময়ই। অতি মূল্যবান ধাতু এই স্বর্ণের গহনা কেনার সময় এর বিশুদ্ধতা যাচাই করাও আবশ্যক। এতে করে ক্রেতা জানতে পারবেন যে তিনি কষ্টার্জিত অর্থ খরচ করে কতটুকু খাঁটি স্বর্ণ পেয়েছেন আর কতটুকু খাঁদ খাঁদ বা ভেজাল। সোনার পরিশুদ্ধতা (ক্যারেট) পরিমাপের গাণিতিক সুত্রঃ X=24/ (Mg/Mm) যেখানে, X হল সোনার ক্যারেট হিসাব, Mg হল অলংকারে খাঁটি সোনার ভর, Mm হল অলংকার এর মোট ভর। এছাড়াও রয়েছে দ্য ট্রয় সিস্টেম (The Troy system) যা মূল্যবান ধাতু এবং পাথর বা রত্নের পরিশুদ্ধতা যাচাইয়ে ব্যবহৃত হয়। 1 troy ounce = 480 grains 1 grain = 64.798 91 milligram 1 troy ounce = 31.1034768 grams 24 grains = 1 pennyweight 20 pennyweight = 1 troy oz 12 troy oz = 1 troy lb The Metric system is also used 1 Troy Ounce = 31.103 Grams 1 Pennyweight =1.555 Grams 15.432 Grains =1 Gram 1 Grain = .0648 Grams Abbreviations: Gr = Grains Gm = Grams Oz = Ounce ozt = Troy Ounces dwt = Pennyweight Kgm = Kilogram (1000 grams) স্বর্ণালংকার কেনার সময় জানতে হবে ক্রেতা কত ক্যারেটের স্বর্ণ কিনবেন। স্বর্ণ সাধারনত: ২৪, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের হয়ে থাকে বা ১৪ এবং ১০ ক্যরেটেরও স্বর্ণ আছে। ২৪ ক্যারেট সোনা হচ্ছে খাঁটি সোনা। যা কেবল বার হিসাবে পাওয়া যায়। তৈরি গহনার মধ্যে ২২ক্যারেট সবচেয়ে ভালো। ক্যারেট হিসাবে তাতে ২ ক্যারেট বাদ গেলে ১ আনা ২ রতি খাঁদ বা ভেজাল থাকবে। আপনি যদি ২১ ক্যারেট গহনা কিনতে চান তাহলে তাতে খাঁদ থাকবে ২ আনা আর ১৮ক্যারেট কিনলে খাঁদ থাকবে প্রতি ভরিতে ৪ আনা। ক্যারেট অনুযায়ী বিশুদ্ধতার আন্তর্জাতিক তালিকা ক্যারেট বিশুদ্ধতার পরিমাণ ২৪ ক্যারেট ৯৯.৯৯ % পিউর ২২ ক্যারেট ৯১.৬০ % পিউর ২১ ক্যারেট ৮৭.৫০% পিউর ১৮ ক্যারেট ৭৫.০০ % পিউর ১৪ ক্যারেট ৫৮.৫ % পিউর ১০ ক্যারেট ৪১.৭ % পিউর যখনই স্বর্ণালংকার ক্রয় করা হবে অবশ্যই অর্ণামেন্টেস-এর গায়ে খোদাই করা ক্যারেট লেখা দেখে নেয়া উচিত। অর্ণামেন্টেস-এর গায়ে অথবা চেনের হুকে খোদাই করা লেখা থাকবে ৯৯৯৯ অর্থাৎ ২৪ ক্যারেট , ৯১৬ অর্থাৎ ২২ ক্যারেট, ৮৭৫ অর্থাৎ ২১ ক্যারেট, ৭৫০ অর্থাৎ ১৮ ক্যারেট। Like 0

Continue reading


MyPostjournal এ একাউন্ট করার নিয়মাবলি

MyPostJournal এ একাউন্ট করতে Main Menu থেকে login এ প্রবেশ করুন   তারপর এখান থেকে Register এ প্রবেশ করুন এখান থেকে Register form এ সকল তথ্য পুরন করে Register এ ক্লিক করলে Register সম্পূর্ন হবে. Like 0

Continue reading


পোষ্ট করার নিয়মাবলি

MyPostJournal এ পোষ্ট করতে হলে আপনাকে আগে MyPostJournal  এ একাউন্ট করতে হবে । একাঊন্ট করতে এরপর আপনাকে Main menu থেকে My Post এ যেতে হবে। এখান থেকে Submit Post এ গিয়ে পোষ্ট টাইটেল ,পোষ্ট ক্যাটাগরি  সিলেক্ট করে পোষ্ট করতে হবে এবং প্রত্যেকটি পোষ্ট এ ফিউচার ইমেজ দিতে হবে Like 1+

Continue reading